প্রিন্ট এর তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
কোরবানির পশুর যেসব অঙ্গ অপছন্দ করতেন নবীজি (সা.)
ডেস্ক নিউজ ||
মহান আল্লাহ আমাদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পশুকে হালাল ঘোষণা করেছেন। বিশেষ করে গরু, মহিষ, উট, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা—এই পশুগুলোর গোশত খাওয়া এবং এগুলো দিয়ে কোরবানি করা সম্পূর্ণ বৈধ। তবে একটি পশু হালাল হওয়ার অর্থ এই নয় যে তার শরীরের প্রতিটি অঙ্গই ভক্ষণযোগ্য।
কোরবানি বা সাধারণ সময়ে জবাই করা পশুর এমন কিছু অংশ রয়েছে, যা খাওয়া ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী নিষিদ্ধ অথবা মাকরুহ।
পশুর শরীরের সব অংশের মধ্যে ‘প্রবাহিত রক্ত’ হারামের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘আপনার কাছে যে ওহি পাঠানো হয়েছে—তাতে আমি এমন কিছু পাই না, যা কোনো আহারকারীর জন্য খাওয়া হারাম, তবে যদি তা মৃত জানোয়ার হয় অথবা প্রবাহিত রক্ত হয়...’ (সুরা আনআম: ১৪৫)। এ কারণে পশু জবাই করার পর শরীর থেকে প্রবাহিত রক্ত সম্পূর্ণ অপবিত্র এবং তা খাওয়া হারাম।
বিখ্যাত তাবেয়ি মুজাহিদ (রহ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে নবী করিম (সা.) হালাল পশুর শরীরের সাতটি অংশ বা অঙ্গ খেতে অপছন্দ করতেন। ফকিহগণের মতে, এর মধ্যে রক্ত হারাম এবং বাকি অংশগুলো খাওয়া মাকরুহে তাহরিমি অর্থাৎ হারামের কাছাকাছি।
অংশগুলো হলো: ১. প্রবাহিত রক্ত: এটি খাওয়া সম্পূর্ণ হারাম। ২. পুরুষ পশুর প্রজনন অঙ্গ: যা পশুর পুরুষাঙ্গ হিসেবে পরিচিত। ৩. অণ্ডকোষ: পশুর প্রজননতন্ত্রের এই অংশটি খাওয়া মাকরুহ। ৪. মাদি প্রাণীর প্রজনন অঙ্গ: স্ত্রী পশুর বিশেষ অঙ্গ। ৫. মাংস গ্রন্থি: যা দেখতে টিউমারের মতো বা পুঁজ জমা হওয়া মাংসের চাকা। ৬. মূত্রথলি: যেখানে পশুর পেশাব জমা থাকে। ৭. পিত্ত: পিত্তথলি বা পিত্তরসের অংশ।
Nagorik Bangladesh
Nagorik Bangladesh